Posts

Showing posts with the label rajshahi soft silk

রাজশাহীর সিল্ক নামটি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক শাড়ির কথা...

Image
রাজশাহী সফ্ট সিল্ক শাড়ি! রাজশাহীর সিল্ক নামটি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক শাড়ির কথা। তুঁত গাছ থেকে পাওয়া সূক্ষ্ম রেশম সুতো দিয়ে তৈরি রাজশাহীর সিল্কের শাড়ির জনপ্রিয়তা ছিল বিদেশেও। সিল্ক কাপড়ের প্রধান উপাদান রেশমকে ঘিরে এ অঞ্চলের রয়েছে সুদীর্ঘ আর উজ্জ্বল অতীত। রাজশাহী সফ্ট সিল্ক শাড়ি গুলো এত সফ্ট যে হাতের মুঠোয় চলে আসে পুরো শাড়ি। পরতে ও অনেক আরামদায়ক। এই শাড়ি গুলো পরে সারাদিন ঘুরে বেড়ালেও অস্বস্তি লাগে না। শাড়ি গুলো পরতে ও সময় লাগে না ঝটপট পরে নেওয়া যায়। কুঁচি নিয়ে কোন ঝামেলা হয়না।                                                    

সিল্ক হেভেন রাজশাহী...

Image
রাজশাহী জেলার ব্র্যান্ডিং লোগোটিতে বৃত্তের কেন্দ্রের দুই দিকে উপস্থাপিত দুইটি উজ্জ্বল সোনালী বর্ণের অভিজাত উড়ন্ত রেশম বস্ত্রের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে জেলার উন্নয়ন রেশম বস্ত্র তথা রেশম শিল্প কেন্দ্রিক।  বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় রেশম চাষ হলেও “সিল্কনগরী” রাজশাহী রেশম বস্ত্র উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে সুপরিচিত। রাজশাহী জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে, মানব সম্পদ উন্নয়নে ও শিল্পের সম্প্রসারণে এবং নারীর ক্ষমতায়নে রেশম শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য।  রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর। বর্তমানে রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ১০-১২ হাজার নারী রেশম শিল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মোট রেশম রপ্তানির পরিমাণ ১৩৩.৮৮৪ মার্কিন ডলার। চলতি সময়ে ১৭৫ হেক্টর জমি মালবেরি চাষের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, এছাড়া রেশম উৎপাদনের জন্য রয়েছে ১০টি নার্সারী এবং ৭টি মিনিফার্ম। বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় রেশম বস্ত্রের প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য রয়েছে ১৩টি শো-রুম।  বাংলাদেশ সরকার জুলাই ২০১৩ হতে জুন ২০১৭ অর্থ বছরে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য ৩০৮০ লক্ষ ...

রাজশাহীতে এই তুঁত চাষ খুব সিমিত আকারে হয়...

Image
রাজশাহী সিল্ক! তুঁত সিল্ক বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক সাধারণ এবং বহুল ব্যবহৃত রেশম। এটি বিশ্বের সরবরাহের 90% অংশ হিসাবে দায়ী। বিশ্বজুড়ে উত্পাদিত সিল্কের প্রচুর পরিমাণটি তুঁত জাত থেকে আসে। সুতরাং, "সিল্ক" শব্দটি সাধারণত একটি তুঁতকৃমি থেকে প্রাপ্ত রেশমকে বোঝায়। এই জাতীয় সিল্ক বোম্বাইক্স মোরি সিল্কওয়ার্ম  দ্বারা উৎপাদিত হয় যারা তুঁত গুল্মগুলিতে খাবার দেয়। অত: পর নামটা. রেশম কীটগুলি সম্পূর্ণ গৃহপালিত এবং গৃহপালিত লালনপালন করা হয়। রেশমের উত্পাদনের সাথে রেশম আঁশ বের করার জন্য তাদের কুকুনে কৃমির / গুটি পোকা হত্যার সাথে জড়িত।  রাজশাহীতে এই তুঁত চাষ খুব সিমিত আকারে হয় এখন। এই চাষ অনেক বেশি বৃদ্ধি করতে হবে তাহলেই আমাদের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে।                                                    

এবারের পূজা হোক রাজশাহী সিল্ক শাড়িতে...

Image
শারদ প্রাঙ্গন! এবারের পূজা যেহেতু গরমে যেজন্য চাই আরাম দায়ক শাড়ি। রাজশাহী সফ্ট সিল্ক শাড়ি গুলো যেমন সফ্ট তেমন আরাম দায়ক। এত কমফোর্টেবল যে সারাদিন পরে ঘুরে বেড়ালেও অস্বস্তি বা গরম লাগে না। পরতে ও সময় লাগে না। ঝটপট পরে নেওয়া যায় শাড়ি গুলো। আর পূজায় লাল, সাদার ছোয়া না হলে চলে?  এবারের পূজা হোক রাজশাহী সিল্ক শাড়িতে।                                                    

রাজশাহী সিল্ক আমাদের ঐতিহ্য...

Image
রাজশাহী মানে রাজশাহীর সিল্ক। এটাকে ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। কীভাবে রেশম শিল্পকে লাভজনক শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়, এখন আমাদের সে বিষয়ে সাধনা করতে হবে। এটা নিয়ে আমাদের অনেক কাজ করে যেতে হবে। যেন আমরা রেশম ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারি।                                                   

পিওর সিল্ক ইজ পিওর গোল্ড...

Image
আমাদের শিল্পে একটা কথা বেশ প্রচলিত, পিওর সিল্ক ইজ পিওর গোল্ড। মানে খাঁটি সিল্ক আর সোনায় তেমন পার্থক্য নেই। সিল্কের ওজন যত বেশি তা মানে তত ভালো। তবে আজকাল পলেস্টার মিশিয়ে ওজন বাড়ানো হচ্ছে। এ জন্য তাই সিল্ক কেনার আগে সতর্ক থাকতে হবে। সিল্ক চিনতে সুতাটা একটু পুড়িয়ে দেখুন। খাঁটি হলে তা পুড়ে যাবে। কেনার আগেই চেষ্টা করুন এভাবে যাচাই করে নিতে। ছবিতে রাজশাহী সফ্ট সিল্ক শাড়ি। এত সফ্ট ও আরাম দায়ক হাতে নিলে বোঝা সম্ভব। শাড়ি গুলো পরলে গরম লাগে না। পরলে স্লিম ও স্মার্ট লাগে দেখতে।                                                    

রাজশাহী সিল্ক নাম টি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক শাড়ির কথা...

Image
রাজশাহী সিল্ক  নাম টি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক শাড়ির কথা। তুঁত গাছ থেকে পাওয়া সূক্ষ্ম রেশম সুতো দিয়ে তৈরি রাজশাহীর সিল্কের শাড়ির জনপ্রিয়তা ছিল বিদেশেও। সিল্ক কাপড়ের প্রধান উপাদান রেশমকে ঘিরে এ অঞ্চলের রয়েছে সুদীর্ঘ আর উজ্জ্বল অতীত। ঔপনিবেশিক আমল থেকেই বাংলায় শুরু হয় রেশম চাষ। ১৯০৫ সালে রেশম শিল্পের বিকাশের প্রতিষ্ঠা করা হয় দুটি বীজভান্ডার। ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ সরকার রেশমের শিল্পকে তদারক করার জন্য আলাদা একটি বিভাগ চালু করে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় বাংলার রেশমপ্রধান অঞ্চল ভারতের অংশে চলে যায়। অল্প কিছু অঞ্চল পড়ে এপার বাংলায়।  এর মধ্যে পাকিস্তান সরকারের উদাসীনতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটের রেশমশিল্প প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সে সময় ব্যক্তিমালিকানায় কিছু উদ্যোক্তা রেশম শিল্পের হাল ধরতে এগিয়ে এলে লোকসানের মুখে পড়তে হয় তাদের। পরে অবশ্য পূর্ব পাকিস্তান ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প সংস্থার অধীন রংপুর, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০টি রেশম বীজভান্ডার স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম রাজশাহী সিল্ক ফ্যাক্টরি।             ...

আমাদের রেশম চাষ বৃদ্ধি করতে হবে তাহলেই আমাদের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে...

Image
আসসালামু আলাইকুম। আজ আলোচনা করবো রেশম চাষ নিয়ে।  রেশম গুটির চাষের সাথে আমাদের দেশের মানুষ অনেক কাল ধরেই পরিচিত। অল্প পরিমাণ জমিতে তুঁত চাষ করে পলুপালনের মাধ্যমে রেশম গুটি উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশের যেসব উঁচু স্থানে তুঁত গাছ জন্মানো যায় সেসব স্থানে রেশমকীট জন্মানো যাবে। এদেশের প্রায় যে কোন আবহাওয়া ও তাপমাত্রায় রেশমকীট পালন করা যায়। তবে ২১০-২৯০ তাপমাত্রা  এবং ৯০% বায়ুর আর্দ্রতা রেশম চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। আবহাওয়া ও উর্বর মাটির জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি রেশম চাষ হয়। এছাড়া নাটোর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, রংপুর, দিনাজপুর ও সিলেটে রেশম পোকার চাষ করা হয়। রেশম চাষের জন্য দুইটি কারিগরি দিক অনুসরণ করতে হবে। এগুলো হলো : ১.তুঁত গাছের চাষ ২. রেশম পোকা পালন। আমাদের রেশম চাষ বৃদ্ধি করতে হবে তাহলেই আমাদের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে।                                                    

Popular posts from this blog

Discover Your New Favorite Dupattas: Fresh Colors & Unbeatable Value!

high-quality semi-Balaka silk sarees

Synthetic muslin silk sarees