রাজশাহী সিল্ক নাম টি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক শাড়ির কথা...
রাজশাহী সিল্ক নাম টি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক শাড়ির কথা। তুঁত গাছ থেকে পাওয়া সূক্ষ্ম রেশম সুতো দিয়ে তৈরি রাজশাহীর সিল্কের শাড়ির জনপ্রিয়তা ছিল বিদেশেও। সিল্ক কাপড়ের প্রধান উপাদান রেশমকে ঘিরে এ অঞ্চলের রয়েছে সুদীর্ঘ আর উজ্জ্বল অতীত।
ঔপনিবেশিক আমল থেকেই বাংলায় শুরু হয় রেশম চাষ। ১৯০৫ সালে রেশম শিল্পের বিকাশের প্রতিষ্ঠা করা হয় দুটি বীজভান্ডার। ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ সরকার রেশমের শিল্পকে তদারক করার জন্য আলাদা একটি বিভাগ চালু করে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় বাংলার রেশমপ্রধান অঞ্চল ভারতের অংশে চলে যায়। অল্প কিছু অঞ্চল পড়ে এপার বাংলায়।
এর মধ্যে পাকিস্তান সরকারের উদাসীনতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটের রেশমশিল্প প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সে সময় ব্যক্তিমালিকানায় কিছু উদ্যোক্তা রেশম শিল্পের হাল ধরতে এগিয়ে এলে লোকসানের মুখে পড়তে হয় তাদের। পরে অবশ্য পূর্ব পাকিস্তান ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প সংস্থার অধীন রংপুর, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০টি রেশম বীজভান্ডার স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম রাজশাহী সিল্ক ফ্যাক্টরি।





Comments
Post a Comment
Please leave your feedback