আমাদের রেশম চাষ বৃদ্ধি করতে হবে তাহলেই আমাদের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে...
আসসালামু আলাইকুম। আজ আলোচনা করবো রেশম চাষ নিয়ে।
রেশম গুটির চাষের সাথে আমাদের দেশের মানুষ অনেক কাল ধরেই পরিচিত। অল্প পরিমাণ জমিতে তুঁত চাষ করে পলুপালনের মাধ্যমে রেশম গুটি উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশের যেসব উঁচু স্থানে তুঁত গাছ জন্মানো যায় সেসব স্থানে রেশমকীট জন্মানো যাবে। এদেশের প্রায় যে কোন আবহাওয়া ও তাপমাত্রায় রেশমকীট পালন করা যায়। তবে ২১০-২৯০ তাপমাত্রা
এবং ৯০% বায়ুর আর্দ্রতা রেশম চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। আবহাওয়া ও উর্বর মাটির জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি রেশম চাষ হয়। এছাড়া নাটোর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, রংপুর, দিনাজপুর ও সিলেটে রেশম পোকার চাষ করা হয়। রেশম চাষের জন্য দুইটি কারিগরি দিক অনুসরণ করতে হবে। এগুলো হলো : ১.তুঁত গাছের চাষ ২. রেশম পোকা পালন।
আমাদের রেশম চাষ বৃদ্ধি করতে হবে তাহলেই আমাদের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে।





Comments
Post a Comment
Please leave your feedback