নারীরা ঢাকার মসলিন পরে দেহসৌষ্ঠব প্রদর্শন করতে ভালোবাসতেন...
মসলিনের ইতিহাস অনেকটাই পুরনো ও দীর্ঘ।
স্বরনাতীত বাংলায় এর উল্লেখ পাওয়া যায়।প্রথম খ্রিস্টাব্দের প্রথম শতকেই রোম সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগে অভিজাত রোমান নারীরা ঢাকার মসলিন পরে দেহসৌষ্ঠব প্রদর্শন করতে ভালোবাসতেন। একই শতকে রচিত ‘পেরিপ্লাস অব দ্য এরিথ্রিয়ান সি’ শীর্ষক গ্রন্থে মসলিন সম্পর্কে বিশেষ ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। এতে মোটা ধরনের মসলিনকে মলোচিনা, প্রশস্ত ও
মসৃণ মসলিনকে মোনাচি এবং সর্বোৎকৃষ্ট মসলিনকে গেনজেটিক বা গঙ্গাজলী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।নবম শতকে রচিত আরব ভৌগোলিক সোলাইমানের ‘সিলসিলাত উত তাওয়ারীখে ‘রুমি’ নামক একটি রাজ্যের বিবরণ পাওয়া যায়। সেখানে এমন সুক্ষ্ম ও মিহি সুতি বস্ত্র পাওয়া যেত যে, ৪০ হাত লম্বা ও ২ হাত চাওড়া। এক টুকরো কাপড় আংটির ভিতর দিয়ে অনায়াসে নাড়াচড়া করা যেতো।
ছবিতে রাজশাহী মসলিন সিল্ক শাড়িতে অল ওভার এম্বোডারি করা। এরকম কাজ করা শাড়ি গুলো পরলে মসলিনের পাতলা ভাবটা বোঝা যায় না। সামনাসামনি শাড়ি গুলো আরও বেশি সুন্দর। যেকোন অনুষ্ঠানে নিজেকে অতুলনীয় করে তুলতে মসলিন সিল্ক শাড়ির তুলনা নাই।



Comments
Post a Comment
Please leave your feedback