Posts

Showing posts from September, 2021

সেমি বলাকা সিল্ক শাড়িতে রাজশাহী সিল্কের ১% সুতা ও থাকে না...

Image
সেমি বলাকা বা সিন্থেটিক সিল্ক! সেমি বলাকা বা সিন্থেটিক সিল্ক কে অনেকে রাজশাহী সিল্ক বলে প্রাচার করেছেন। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না সেমি বলাকা সিল্ক শাড়িতে রাজশাহী সিল্কের ১% সুতা ও থাকে না। রাজশাহীর কোন কারখানায় তৈরি হয় না। তাহলে  রাজশাহী সিল্ক হয় কিভাবে?  তবে রাজশাহীর সব কারখানায় পাওয়া যায়। এবং কারখানার লোকরা কিন্তু এটাকে রাজশাহী সিল্ক বলেনা।  সেমি বলাকা কে অনেকে পালিশ সিল্ক ও বলে থাকে। এটা সম্পুর্ন সিন্থেটিক সিল্ক শাড়ি। সেদিন একটা লাইভে দেখলাম সেমি বলাকা সিল্ক শাড়িকে অরজিনাল বলাকা সিল্ক শাড়ি বলে সেল করছে পাইকারি রেট মাত্র ১০০০ টাকায় ভাবা যায় 😱😱। যেখানে পিওর বলাকা সিল্ক ২ গজের দাম ও আসবে না এই টাকায়।  আসুন আমরা রাজশাহী সিল্কের সঠিক টা প্রচার করি। আমি নিজেও অনেক বেশি সেমি বলাকা শাড়ি সেল করি। কিন্তু কোনটা কোন সিল্ক কাস্টমার কে জানিয়ে দিই।  ছবিতে সেমি বলাকা বা সিন্থেটিক সিল্ক শাড়ি। এর উপর ব্লক, হাতের কাজ, হ্যান্ড পেইন্ট ইত্যাদি যেকোনো কাজ করা যায়। দাম টাও রিজেনেবল।                            ...

রাজশাহীর সিল্ক নামটি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক শাড়ির কথা...

Image
রাজশাহী সফ্ট সিল্ক শাড়ি! রাজশাহীর সিল্ক নামটি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক শাড়ির কথা। তুঁত গাছ থেকে পাওয়া সূক্ষ্ম রেশম সুতো দিয়ে তৈরি রাজশাহীর সিল্কের শাড়ির জনপ্রিয়তা ছিল বিদেশেও। সিল্ক কাপড়ের প্রধান উপাদান রেশমকে ঘিরে এ অঞ্চলের রয়েছে সুদীর্ঘ আর উজ্জ্বল অতীত। রাজশাহী সফ্ট সিল্ক শাড়ি গুলো এত সফ্ট যে হাতের মুঠোয় চলে আসে পুরো শাড়ি। পরতে ও অনেক আরামদায়ক। এই শাড়ি গুলো পরে সারাদিন ঘুরে বেড়ালেও অস্বস্তি লাগে না। শাড়ি গুলো পরতে ও সময় লাগে না ঝটপট পরে নেওয়া যায়। কুঁচি নিয়ে কোন ঝামেলা হয়না।                                                    

মসলিন শব্দটির সাথে আমাদের পরিচিতি বা একপ্রকার নাড়ির টান আছে...

Image
মসলিন শব্দটির সাথে আমাদের পরিচিতি বা একপ্রকার নাড়ির টান আছে । মসলিনের প্রাচীন নাম মলমল। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে  মসলিন মানে একগুচ্ছ ইতিহাস। এই স্বচ্ছ কাপড়টির যেমন রয়েছে গোরব উজ্জল স্বর্ণ যুগ , তেমনি রয়েছে কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়ার এক করুন ইতিহাস। ছবিতে রাজশাহী মসলিন সিল্ক শাড়িতে হ্যান্ড পেইন্ট করা। অসম্ভব সুন্দর এই শাড়ি গুলো। পরলে অন্য রকম সুন্দর একটা লুক দেয়। কালার গুলো এত স্নিগ্ধ দেখলেই চোখ জুড়িয়ে যায়। মসলিন সিল্ক মানেই আভিজাত্য।                                                                              

আয়রন করতে গিয়ে আমার পুরো শাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে

Image
আয়রন করতে গিয়েই শাড়ি শেষ! এক ক্রেতা আপু সেমি বলাকা শাড়ি নিতে চাই। দাম কত?  আমি: ০০ টাকা।ক্রেতাঃ আপু আরেক জায়গায় ৩০০ টাকা কম বলেছে।  আমি বললাম আপু সেই জায়গায় নিয়ে নেন তাড়াতাড়ি। আমার কাপড়ের কোয়ালিটি ভালো এতকমে দিতে পারবো না। কিছুদিন পর ক্রেতাঃ আপু আপনার কাছে সেমি বলাকা শাড়ি নিতে চাই। আমি বললাম আপু আপনি না কোথায় অনেক কম দামে পাচ্ছিলেন তো নেন নি?  ক্রেতা অনেক ক্ষন পর বললো আপু আর বলেন না শাড়িতে কাজ করে আয়রন করতে গিয়ে আমার পুরো শাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে 😭😭। টাকা লস + কাজ করিয়েছি সেটা তো লস। চারিদিক থেকে লস হয়ে গেল আপু। আমি: আচ্ছা আপু আমার কাছে নিয়ে দেখেন আয়রন করলে কোন সমস্যা হবে না। আজ পর্যন্ত কোন কমপ্লেইন আসেনি শাড়ির।  তো কি বুঝলেন ৩০০ টাকা বাঁচাতে গিয়ে সব শেষ। আসলে দেখতে এক রকম হলেও প্রত্যেকটা জিনিসের কোয়ালিটি থাকে। আর শুধু দাম বেশি না দেখে কোয়ালিটি ভালো কিনা সেটা বেশি জরুরি।                                                    

মসলিন সিল্ক মানেই আভিজাত্য...

Image
রাজশাহী সিল্ক আমাদের ঐতিহ্য! মসলিন রাজকীয় পোশাক নির্মাণে ব্যবহার করা হত। মসলিন প্রায় ২৮ রকম হত যার মধ্যে জামদানী এখনও ব্যাপক আকারে প্রচলিত। নানা কারণে আঠারো শতকের শেষার্ধের দিকে বাংলায় মসলিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।  মসলিন প্রস্তুত করা হত পূর্ব বাংলার সোনারগাঁও অঞ্চলে। কথিত আছে যে মসলিনে তৈরি করা পোশাকসমূহ এতই সুক্ষ্ম ছিল যে ৫০ মিটার দীর্ঘ মসলিনের কাপড়কে একটি দিয়াশলাই বাক্সে ভরে রাখা যেত। মসলিনের পার্থক্য করা হত সূক্ষ্মতা, বুননশৈলী আর নকশার পার্থক্যে।এরই প্রেক্ষিতে বিভিন্ন প্রকার মসলিনের আলাদা আলাদা নাম হয়ে যায়।   ছবিতে রাজশাহী মসলিন সিল্ক শাড়ি ও গজ কাপড়। মসলিন সিল্ক মানেই আভিজাত্য।                                                    

সিল্ক হেভেন রাজশাহী...

Image
রাজশাহী জেলার ব্র্যান্ডিং লোগোটিতে বৃত্তের কেন্দ্রের দুই দিকে উপস্থাপিত দুইটি উজ্জ্বল সোনালী বর্ণের অভিজাত উড়ন্ত রেশম বস্ত্রের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে জেলার উন্নয়ন রেশম বস্ত্র তথা রেশম শিল্প কেন্দ্রিক।  বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় রেশম চাষ হলেও “সিল্কনগরী” রাজশাহী রেশম বস্ত্র উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে সুপরিচিত। রাজশাহী জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে, মানব সম্পদ উন্নয়নে ও শিল্পের সম্প্রসারণে এবং নারীর ক্ষমতায়নে রেশম শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য।  রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর। বর্তমানে রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ১০-১২ হাজার নারী রেশম শিল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মোট রেশম রপ্তানির পরিমাণ ১৩৩.৮৮৪ মার্কিন ডলার। চলতি সময়ে ১৭৫ হেক্টর জমি মালবেরি চাষের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, এছাড়া রেশম উৎপাদনের জন্য রয়েছে ১০টি নার্সারী এবং ৭টি মিনিফার্ম। বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় রেশম বস্ত্রের প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য রয়েছে ১৩টি শো-রুম।  বাংলাদেশ সরকার জুলাই ২০১৩ হতে জুন ২০১৭ অর্থ বছরে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য ৩০৮০ লক্ষ ...

রাজশাহীতে এই তুঁত চাষ খুব সিমিত আকারে হয়...

Image
রাজশাহী সিল্ক! তুঁত সিল্ক বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক সাধারণ এবং বহুল ব্যবহৃত রেশম। এটি বিশ্বের সরবরাহের 90% অংশ হিসাবে দায়ী। বিশ্বজুড়ে উত্পাদিত সিল্কের প্রচুর পরিমাণটি তুঁত জাত থেকে আসে। সুতরাং, "সিল্ক" শব্দটি সাধারণত একটি তুঁতকৃমি থেকে প্রাপ্ত রেশমকে বোঝায়। এই জাতীয় সিল্ক বোম্বাইক্স মোরি সিল্কওয়ার্ম  দ্বারা উৎপাদিত হয় যারা তুঁত গুল্মগুলিতে খাবার দেয়। অত: পর নামটা. রেশম কীটগুলি সম্পূর্ণ গৃহপালিত এবং গৃহপালিত লালনপালন করা হয়। রেশমের উত্পাদনের সাথে রেশম আঁশ বের করার জন্য তাদের কুকুনে কৃমির / গুটি পোকা হত্যার সাথে জড়িত।  রাজশাহীতে এই তুঁত চাষ খুব সিমিত আকারে হয় এখন। এই চাষ অনেক বেশি বৃদ্ধি করতে হবে তাহলেই আমাদের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে।                                                    

মসলিন আভিজাত্যের প্রতীক...

Image
রাজশাহী পিওর মসলিন সিল্ক এক কালার শাড়ি গুলোর দাম ই অন্য শাড়ির থেকে বেশি। এর উপর নিখুঁত এম্বোডারির কাজ করতে অনেক খরচ এবং সময় লাগে। ডিজাইনের ঘনত্বের উপর ও দাম কম বেশি হয়। এম্বোডারির ও অনেক ভাগ আছে। পক্ষন্তরে কম দামি কাপড়ের উপর সস্তা এম্বোডারির কাজ করা শাড়ি গুলোর দাম কম হয়ে থাকে।  ক্রেতারা তখন বিভ্রান্ত হয়ে পরে। ডিজাইন এক হলেও মসলিন সিল্ক শাড়ির জন্য দাম একটু বেশি হয়ে থাকে। কাস্টমাররা তখন বলেন মসলিন সিল্ক শাড়ির এত দাম ওরে বাবা। দাম বেশি হলেও মসলিন সিল্ক শাড়ির সৌন্দর্য আকৃষ্ট করে সবাই কে। কারণ মসলিন সিল্ক শাড়ি মানেই আভিজাত্য। যেকোন অনুষ্ঠানে সবার নজর কারবে এই শাড়ি গুলো।                                                    

Popular posts from this blog

Discover Your New Favorite Dupattas: Fresh Colors & Unbeatable Value!

high-quality semi-Balaka silk sarees

Synthetic muslin silk sarees