এমন উন্নতমানের বস্ত্র হয়তো সারা দুনিয়ায় আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়...
মসলিন এর ইতিহাস!
বহু বিদেশি পর্যটক বাংলা ভ্রমনে এসে মসলিনের বুনন কোশল ও কাপড়ের নেপুনতা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন । খ্রিস্টীয় নবম শতকে আরব পর্যটক ও ভূগোলবিদ সুলেইমান ‘সিলসিলাত-উত্-তাওয়ারিখ’ শীর্ষক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন—রুমি নামের এক রাজ্যে (খুব সম্ভবত বর্তমান বাংলাদেশ) এমন একধরনের মিহি ও সূক্ষ্ম বস্ত্র পাওয়া যায় যে ৪০ হাত লম্বা ও ২ হাত চওড়া এমন একটি কাপড় একটা ছোট আংটির মধ্য দিয়ে
অনায়াসে চালাচালি করা যায়। চর্তুদশ শতাব্দির মাঝামাঝি বাংলায় আসেন আফ্রিকার মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা , তিনি সোনারগাঁওয়ে উত্কৃষ্ট মসলিন তৈরি হতে দেখেন । তিনি তা দেখে চমত্কৃত হয়ে মন্তব্য করেন—এমন উন্নতমানের বস্ত্র হয়তো সারা দুনিয়ায় আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়।
ছবিতে রাজশাহী মসলিন সিল্ক। সেডের মসলিন সিল্ক শাড়িতে কার্ট ওয়ার্ক করা ও ভেতরে ছোট ছোট স্টোন বসানো। শাড়ি টা অসম্ভব সুন্দর। মসলিন সিল্ক মানেই আভিজাত্য।


Comments
Post a Comment
Please leave your feedback