রেশম আবিষ্কারের কথা!
![]() |
| North Bengal Silk |
আসসালামু আলাইকুম।
রেশম আবিষ্কারের কথা। সোনার চেয়ে ও মূল্যবান ছিল সিল্ক। কি অবাক হচ্ছেন? তাহলে সত্যি গল্পটা বলি।
রেশমের আবিষ্কার নিয়ে আছে মজার গল্প। চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের রচনা ও চীনের ইতিহাস থেকে জানা যায়, সম্রাট হুয়াং তাইয়ের স্ত্রী সম্রাজ্ঞী সাই লিং শি-এর হাতেই রেশমের আবিষ্কার। সম্রাজ্ঞী লিং শি একদিন বাগানে তুঁত গাছের নিচে বসে চা পান করছিলেন। এমন সময় হঠাৎ তার একটি কোকুন (রেশম গুটি) চায়ের মধ্যে পড়ে। যখন তিনি কোকুনটি চায়ের মধ্য থেকে তুলতে গেলেন তখন তিনি অবাক হয়ে লক্ষ করেন কোকুনটি খুলতে শুরু করেছে এবং এ থেকে একধরনের সুতোর মতো পদার্থ বেরিয়ে আসছে।
![]() |
| North Bengal Silk |
এবার তিনি খুঁজতে লাগলেন এই রহস্য। তিনি আবিষ্কার করলেন তুঁত গাছে বাসা বেঁধেছেন অসংখ্য রেশম পোকা। রেশম পোকাদের তৈরি কোকুন থেকে রানি খোঁজ পেলেন সিল্ক সুতোর। এরপরই রানি রেশম চাষাবাদ শুরু করেন। এই কারণে সিল্কের দেবীও বলা হয় তাকে। রেশম আবিষ্কারের পর এর মূল্য বুঝতে পেরেছিল চীনারা। সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে রেশমের রহস্য প্রায় তিন হাজার বছর গোপন রাখে চীন। তখন ৩০টি দেশের মধ্যে চীনাদের ব্যবসা থাকলেও রেশম উৎপাদিত পণ্য পরিবহন ছিল একেবারেই নিষিদ্ধ। সিল্ক রোড উন্মুক্ত হওয়ার পর চীনের প্রাচীর পেরিয়ে এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করে রেশম।
![]() |
| North Bengal Silk |
চীন থেকে যে পথে সিল্ক নিয়ে যাওয়া হতো সেই পথের নাম হয়ে গেল সিল্ক রোড। ইতিহাসের বিখ্যাত সিল্ক রোড দিয়ে পশ্চিমা দেশসমূহে সিল্ক নিয়ে যাওয়া হতো। বিনিময়ে সেসব দেশ থেকে সোনা, রুপা, ঘোড়া, ঊল ইত্যাদি নিয়ে আসা হতো। সেই সময় সোনার চেয়েও মূল্যবান ছিল সিল্ক। পশ্চিম চীন থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এই সিল্ক রোডের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৪ হাজার মাইল।
![]() |
| North Bengal Silk |




Comments
Post a Comment
Please leave your feedback